April 19, 2026, 8:25 pm

তালায় দিন-দুপুরে সমবায় সমিতির টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা

বি এম বাবলুর রহমান (-সাতক্ষীরা প্রতিনিধি )তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা জনতা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন ভাড়াটিয়া মোটরসাইকেল করে বাড়ি ফেরার পথে প্রশান্ত ঘোষকে হেলমেট দিয়ে আঘাত করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে মোটরসাইকেল ড্রাইভার মাসুম শেখ।

রবিবার(২৭ জুন) বিকেলে তালা উপজেলা পাটকেলঘাটা থানায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে পথিমধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

সূত্র মতে, রবিবার বিকেল ৩ টার দিকে তালার বিশিষ্ট দুধ ব্যাবসাহী,মিল্ক ভিটা সমবায় সমিতির সভাপতি উপজেলা সদরের জিয়ালা নলতা গ্রামে মৃত্যু কালীপদ ঘোষের ছেলে প্রশান্ত ঘোষ।
পাটকেলঘাটা জনতা ব্যাংক থেকে চৌদ্দ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা উত্তোলন করে মোটরসাইকেল যোগে তালায় আসছিলেন।

সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে পথিমধ্যে বালিগাদা মোড়ে পৌঁছলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে। মোটরবাইক ড্রাইভার একই গ্রামের আমদ আলী শেখের ছেলে মোঃ মাসুম শেখ, প্রস্রাব করার কথা বলে দাড়ায় এবং প্রস্রাব করতে বসেন। তখন প্রশান্ত ঘোষ মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন এমন সময় মাসুম শেখ তার কাছে থাকা হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে পর পর চার পাঁচ টি বাড়ি মারতে থাকে । সাতক্ষীরা থেকে খুলনা গামী অজ্ঞাত নামা পথচারির কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে মোটরসাইকেল দায় করান এবং বিষয়টি বিস্তারিত জানতে চাইলে মাসুম শেখ মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অজ্ঞাত নামা পথচারির মোটরসাইকেল যোগে ভোক্তভোগী প্রশান্ত ঘোষ কে সুভাশুনি বাজার পর্যন্ত পৌঁছে দেন।

এ বিষয়ে প্রতিবশি শহিদুল ইসলাম বলেন আমি ঘটনা শুনেছি মাসুম শেখ গত কাল প্রশান্ত ঘোষের সাথে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে আমি শুনেছি এটা খুব দুঃখ জনক। মাসুম শেখ এর প্রতিবেশী খোদাবক্স বলেন প্রশান্ত ঘোষের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমি আজ ২৮-০৬- ২০২১ তারিখে শুনেছি, মাসুম শেখ কোথায় আছে জানিনা তবে গতকাল রাতে মোটরসাইকেল কাকে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে সে এখন পালায়ন করেছে।

ভুক্তভোগী প্রশান্ত ঘোষ বলেন আমি আমার নিজের ও মিল্কভিটা সমবায় সমিতির টাকা জনতা ব্যাংক পাটকেলঘাটা থেকে চৌদ্দ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা উত্তোলন করে মাসুদের ভাড়াটিয়া মোটরসাইকেল যোগে তালায় আসছিলাম। পথিমধ্যে বালিগাদা মোড়ের কাছে আসলে মাসুম প্রস্রাব করার কথা বলে গাড়ি দাঁড় করান।আমি মোবাইলে কথা বলছিলাম । এমন সময় মাসুম শেখ আমার পিছন থেকে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করতে থাকে।
সেই সময় অজ্ঞাত নামা পথচারির একজন হুজুর সেখানে দাঁড়ায় এবং আমাকে মারার কারন জিজ্ঞেস করে। সাথে সাথে মাসুম শেখ তার গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। পথচারী আমাকে সুভাশুনি পৌঁছে দেন।আমার ধারনা আমার কাছে থাকা টাকা ছিনতাইয়ের নেওয়ার জন্য মাসুম শেখ এই ঘটনা ঘটিয়েছে।ঐ হুজুর না আসলে মাসুম শেখ আমাকে মেরে সব টাকা ছিনতাই করে নিতেন। ঘটনায়টি তাৎক্ষণিকভাবে এসপি সাতক্ষীরা কে অবহিত করেছি । এ বিষয়ে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
মাসুম শেখ এর বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার পরিবার কে পাওয়া যাইনি বাড়িতে তালা ঝুলানো। পাশ্ববর্তী লোকজন বলেন সে কাল থেকে বাড়িতে নেই।

স্থানীয় ইউপি সদস্য অরুন কুমার বলেন আমি শুনেছি প্রশান্ত ঘোষ মাসুম শেখ এর মোটরসাইকেল ভাড়াকরে পাটকেলঘাটা জনতা ব্যাংক থেকে চৌদ্দ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা উত্তোলন করে বড়িতে আসছিলেন পথিমধ্যে টাকা ছিনতাই করে নেওয়ার জন্য মাসুম শেখ প্রশান্ত ঘোষ এর মাথায় আঘাত করেছেন। পথচারীর মাধ্যমে প্রশান্ত ঘোষ রক্ষা পেয়েছে আমি গত রাতে শুনেছি ।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা